শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম:


ডিম-আটার দাম বাড়তি, সবজিতে কিছুটা স্বস্তি
প্রকাশ: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৩ পিএম  (ভিজিট : ১৩)
দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের দামে মিশ্র পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম, আটা, ময়দা ও চিনি।

অন্যদিকে সরবরাহ বাড়ায় সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে মাছ-মাংসের দাম এখনো চড়া।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাড্ডা, মহাখালী ও জোয়ারসাহারা বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত বুধবার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে পাঁচ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে খোলা সয়াবিন তেল ও পাম তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। কিন্তু বাজারে নতুন দরের তেল না এলেও পুরনো বোতল নতুন দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাসসংকটের কারণে শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় আটা, ময়দা, চিনি ও ভোজ্যতেলের মতো পণ্যের সরবরাহেও প্রভাব পড়ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখনো চড়া দামেই প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে এই উচ্চমূল্যে ডিম বিক্রি হচ্ছে। এর আগে প্রতি ডজন ডিম ১৩০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে ছিল। বাজারে বর্তমানে প্যাকেটজাত দুই কেজির আটা ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তিন-চার সপ্তাহ আগেও একই আটা ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। খোলা আটার দামও বেড়ে ৫০ টাকা হয়েছে, যা আগে ছিল ৪৫ টাকা।

অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে আটার দাম কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
রাজধানীর জোয়ারসাহারা বাজারের মেসার্স ভাই  ভাই স্টোরের বিক্রেতা মো. নজরুল ইসলাম গতকাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আড়তদাররা ডিমের দাম কমাচ্ছে না, এতে আমরাও কমিয়ে বিক্রি করতে পারছি না। আটা ও চিনির দাম বাড়তি। কম্পানিগুলো দুই কেজির প্যাকেট আটার দর বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করেছে। ফলে খোলা আটার দামও কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’

চিনির বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রয়েছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ১২০ থেকে ১২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা মাস খানেক আগে ১১০ টাকায় বিক্রি হয়।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। অধিকাংশ সবজি ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। এক মাস আগে সরবরাহ কম থাকার অজুুহাতে অনেক সবজির দাম কেজিতে ১০০ টাকা ছাড়িয়েছিল। বাজারে পটোল ও ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ও ধুন্দল ৬০, শসা ৫০ থেকে ৬০, করলা ৮০, বরবটি ও ঝিঙা ৭০ থেকে ৮০ এবং পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কচুর লতি ৮০, মিষ্টি কুমড়া ৫৫ থেকে ৬০, কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৬০, বেগুন ৮০ থেকে ১০০, টমেটো ১০০ থেকে ১২০ এবং গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ ৬০ থেকে ৮০, চালকুমড়া ৫০ থেকে ৬০ এবং কাঁচকলা প্রতি হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ ও আলুর দামে অবশ্য তেমন পরিবর্তন নেই। মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের বাজারে স্বস্তি নেই। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি জাতভেদে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি এলেও ডিম, মাংস ও কয়েকটি নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে চাপে রয়েছে ক্রেতারা। 








আরও খবর


Loading...
Loading...
প্রকাশক: এম এন এইচ বুলু
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মাহফুজুর রহমান রিমন  |   উপদেষ্টা সম্পাদক : রাজু আলীম  
বিএনএস সংবাদ প্রতিদিন লি. এর পক্ষে প্রকাশক এম এন এইচ বুলু কর্তৃক ৪০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বুলু ওশেন টাওয়ার, (২১ তলা), বনানী, ঢাকা ১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ফোন:০২৯৮২০০১৯-২০ ফ্যাক্স: ০২-৯৮২০০১৬ ই-মেইল: [email protected]