শনিবার ২৯ আগস্ট ২০২৬ ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম:


বাংলাদেশকে ঘিরে পুরোনো ‘জঙ্গিবাদ বয়ান’ কি আবার সামনে আনা হচ্ছে?
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩২ পিএম  (ভিজিট : ২৩)
আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP) প্রতি বছর বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক বা গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (GTI) প্রকাশ করে। এর মাধ্যমে কোনো দেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব কতটা, তা পরিমাপ করা হয়। এই সূচক নির্ধারণে সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে হামলার সংখ্যা, নিহত ও আহতের সংখ্যা এবং জিম্মি করার ঘটনা। এসব তথ্যের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সময়ে সন্ত্রাসবাদের সামগ্রিক প্রভাব পরিমাপ করা হয়।

গত ১৯ মার্চ IEP তাদের বার্ষিক গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (GTI) প্রকাশ করে। এতে বাংলাদেশের ভালো অবস্থান উঠে এসেছে। বিশ্বের ১৬৩টি দেশের ওপর তৈরি এই GTI অনুযায়ী, সন্ত্রাসবাদের প্রভাবের দিক থেকে বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে। বৈশ্বিক তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৪২তম। ১০-এর মধ্যে দেশটির স্কোর ২.২৮৬। এই স্কোর অনুযায়ী, বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব ‘নিম্ন’ পর্যায়ে রয়েছে।
অন্যদিকে, বৈশ্বিক তালিকায় ভারতের অবস্থান ১৩তম। দেশটির স্কোর ৬.৪২৮। অর্থাৎ, ভারতের ওপর সন্ত্রাসবাদের প্রভাব বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি।

আর পাকিস্তানের অবস্থান ১ম এবং স্কোর ৮.৫৭৪। অর্থাৎ, ১৬৩টি দেশের মধ্যে পাকিস্তান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসবাদ-প্রভাবিত দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। IEP-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ১০০ শতাংশ কমেছে। ওই বছর IEP-এর হিসাবে বাংলাদেশে কোনো সন্ত্রাসী হামলা নথিভুক্ত হয়নি। ফলে সন্ত্রাসবাদের প্রভাবের সূচকে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার তুলনামূলক নিরাপদ দেশগুলোর একটি হিসেবে উঠে এসেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় শুধু নেপাল ও ভুটান বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। GTI-তে নেপালের অবস্থান ৮৯তম এবং ভুটানের ১০০তম।
IEP-এর তথ্য অনুযায়ী, ভারতে সন্ত্রাসী হামলা কমেছে ৪৩ শতাংশ। কিন্তু হামলার সংখ্যা কমলেও দেশটিতে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব এখনও তুলনামূলকভাবে বেশি। কাশ্মীরের সংঘাত এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে। এছাড়া ভারতের পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যে সক্রিয় মাওবাদী-নকশালপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতাও একটি বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান জাতিগত ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এসব সংঘাত ও সহিংসতা ভারতের সামগ্রিক অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ওপর চাপ তৈরি করছে।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক। ২০২৫ সালে দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্য সংখ্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তান সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত অঞ্চল হিসেবে উঠে এসেছে। IEP-এর মতে, পাকিস্তানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির পেছনে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা TTP-এর বাড়তি তৎপরতা এবং বেলুচিস্তানে সহিংসতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সুতরাং, গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, সন্ত্রাসবাদের প্রভাবের দিক থেকে বাংলাদেশ বর্তমানে ভারত, পাকিস্তানসহ বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে।

কিন্তু বাংলাদেশের এই ভালো অবস্থানের মধ্যেই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ায় আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা (AQIS)-এর তৎপরতা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানে অবস্থান করে AQIS বাংলাদেশ, ভারতের জম্মু-কাশ্মীর এবং মিয়ানমারে তাদের তৎপরতা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। প্রতিবেদনে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে, সংগঠনটি বাংলাদেশে সক্রিয় সেল গঠন করে ঘাঁটি তৈরির চেষ্টা করছে। 

প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর বাংলাদেশ সরকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর বক্তব্যকে “অনুমান-নির্ভর” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ স্পষ্ট করেছেন, এটি বাংলাদেশে কোনো সুনির্দিষ্ট জঙ্গি তৎপরতা বা হামলার খবর নয়। বরং জঙ্গিরা ভবিষ্যতে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে—এমন একটি সতর্কবার্তা। তাই সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া শুধু এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তড়িঘড়ি কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার কারণ নেই বলে সরকার মনে করছে।

তবে জাতিসংঘের এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই ভারত প্রতিক্রিয়া জানায় এবং বাংলাদেশের সঙ্গে জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে। গত ১৮ আগস্ট নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, সন্ত্রাসবাদ এবং জাতীয় নিরাপত্তা এমন বিষয় যা সবার জন্যই উদ্বেগের হওয়া উচিত। কারণ এটি সবার জন্য এক সাধারণ অভিশাপ এবং আমরা সবাই মিলে এই সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাই। 
কিন্তু ভারতের এমন তাৎক্ষণিক প্রস্তাব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি করেছে যে এই প্রতিবেদন তৈরিতে ভারতের কোনো ভূমিকা বা প্রভাব ছিল কি না। বস্তুত বাংলাদেশের মানুষের কাছে এই সন্দেহের পেছনে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। গত দেড় দশকে ভারত ও শেখ হাসিনা সরকারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি ছিল জঙ্গিবাদ দমন। ভারত একে শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় হিসেবে দেখেনি; বরং হাসিনা সরকারের প্রতি রাজনৈতিক সমর্থনের ক্ষেত্রেও এটিকে যুক্তি হিসেবে সামনে আনে। বিভিন্ন বিশ্লেষণেও দেখা গেছে, ভারতের কাছে হাসিনা সরকারের স্থায়িত্বের অন্যতম প্রধান বিবেচনা ছিল সন্ত্রাসবাদ দমন। ফলে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ‘জঙ্গিবাদ’ ইস্যু এখন নিছক নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়। অতীতে এই ইস্যুকে সামনে রেখে ভারত কর্তৃত্ববাদী হাসিনা সরকারকে সমর্থন দিয়েছে—এমন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের মানুষের রয়েছে। তাই এখন নতুন করে একই ধরনের কোনো ভারতীয় তৎপরতা শুরু হচ্ছে কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠছে। এই প্রশ্ন ওঠা তাই অস্বাভাবিক নয়। 

এই প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কোনো প্রস্তাব নয়। এটি নিরাপত্তা পরিষদের অধীন Analytical Support and Sanctions Monitoring Team-এর ৩৮তম পর্যবেক্ষণমূলক প্রতিবেদন। এই টিমটি আল-কায়েদা ও আইএসআইএসের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কাজে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে সহায়তা করে। পাশাপাশি, এসব জঙ্গি সংগঠনের তৎপরতা, অর্থায়ন ও অস্ত্র সরবরাহসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করে এবং নিরাপত্তা পরিষদকে নিয়মিত তথ্য ও মূল্যায়ন দেয়।

তবে এই প্রতিবেদনের একটি বড় সীমাবদ্ধতা রয়েছে। টিমটি বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও মূল্যায়ন বিবেচনা করেই প্রতিবেদন তৈরি করে। ৩৮তম প্রতিবেদনেও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সরবরাহ করা তথ্য ও মূল্যায়ন ব্যবহার করা হয়েছে।
আর এখানেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি সামনে আসে—জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ভারত যে তথ্য ও মূল্যায়ন সরবরাহ করেছে, সেগুলো এই প্রতিবেদনের বাংলাদেশ-সংক্রান্ত অংশকে কতটা প্রভাবিত করেছে? 

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এই কমিটি নিজে কোনো দেশে গিয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে না। তারা ভারতসহ এই অঞ্চলের বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের পাঠানো তথ্যের ওপর নির্ভর করে। এ কারণে এই ৩৮তম প্রতিবেদনে ভারতের সরবরাহ করা তথ্যের একটি বড় পরোক্ষ প্রভাব বা ছায়া থাকা অস্বাভাবিক নয়। কেননা, এই প্রতিবেদনে দিল্লির লালকেল্লায় ২০২৫ সালের নভেম্বরের একটি হামলার ঘটনা উল্লেখ করে সেটির দায় AQIS-এর ওপর দেওয়া হয়েছে, যা ভারত সরকার নিজেই তদন্ত করেছে। ভারত সরকার তাদের নিজস্ব তদন্তের সূত্র ধরে দাবি করেছে, জঙ্গিরা সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টা করছে। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্য ও মূল্যায়ন ভারত সরকার জাতিসংঘের ওই কমিটির সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকে শেয়ার করেছে। অর্থাৎ, ভারতের দেওয়া গোয়েন্দা তথ্য এই প্রতিবেদনের তথ্যের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে। এভাবে প্রতিবেদন তৈরির প্রক্রিয়ায় ভারতের দেওয়া গোয়েন্দা তথ্যের একটি বড় ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। 

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অধীনস্থ ওই কমিটির ৩৮তম মূল্যায়ন প্রতিবেদনটি মূলত কোনো ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করে না, বরং এটি ভবিষ্যতের আশঙ্কা এবং একটি গোয়েন্দা সতর্কবার্তা মাত্র, যা একটি হুমকি মূল্যায়নের অংশ। ভারতের মতো সদস্য রাষ্ট্রগুলো জাতিসংঘে যেসব আশঙ্কার কথা লিখিত আকারে জমা দেয়, জাতিসংঘ সেগুলোকে "উদ্বেগ" হিসেবে নথিবদ্ধ করে। এখানে জাতিসংঘের প্রতিবেদনটি  বলা হয়নি যে বাংলাদেশে জঙ্গি হামলা হয়েছে কিংবা জঙ্গি তৎপরতা বেড়েছে। বরং দীর্ঘ এই প্রতিবেদনের ১০১ নম্বর অনুচ্ছেদে মাত্র দুই লাইনে বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে শুধু বলা হয়েছে, AQIS বাংলাদেশকে ব্যবহার করে তাদের তৎপরতা বিস্তারের চেষ্টা করছে।
কিন্তু ভারত সরকার এই দুই লাইনের বক্তব্যকেই অতিরঞ্জিত করে প্রচার শুরু করে। ভারতীয় এবং নির্দিষ্ট কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও বিষয়টিকে এমনভাবে তুলে ধরে, যেন বাংলাদেশে বড় ধরনের জঙ্গি হুমকি তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তড়িঘড়ি করে একে “আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকি” হিসেবে বর্ণনা করে এবং তা মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার প্রস্তাব দেয়। আসলে ভারতের এমন প্রতিক্রিয়া ও প্রস্তাবের পেছনে রয়েছে ভূ-রাজনীতি। 

অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, জাতিসংঘের এ ধরনের আঞ্চলিক প্রতিবেদনে ভারতীয় নথিপত্র এবং ভারতের সরবরাহ করা তথ্যের উল্লেখযোগ্য প্রভাব থাকে। আর ভূ-রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে যেকোনো আন্তর্জাতিক ফোরামে ভারত শক্তিশালী লবিং বজায় রাখে। তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ ঘটনাগুলোকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে। অনেক সময় পশ্চিমা দেশগুলোও দক্ষিণ এশিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনীতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ না করেই দিল্লির সরবরাহ করা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মতামত তৈরি করে। পশ্চিমা দেশগুলো ভারতের কৌশলগত অংশীদার হওয়ায় অনেক সময় দিল্লির কিছু ন্যারেটিভকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ না করে সেগুলো তাদের নথিপত্রে স্থান দেয়। মূলত এসব কারণেই জাতিসংঘের এ ধরনের আঞ্চলিক প্রতিবেদনে একটি নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক পক্ষপাত ঢুকে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। আর তাই সঙ্গত কারণেই বাংলাদেশ সরকার এই প্রতিবেদনকে “অনুমান-নির্ভর” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। 
লেখক: রাজনৈতিক বিশ্লেষক








আরও খবর


Loading...
Loading...
প্রকাশক: এম এন এইচ বুলু
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মাহফুজুর রহমান রিমন  |   উপদেষ্টা সম্পাদক : রাজু আলীম  
বিএনএস সংবাদ প্রতিদিন লি. এর পক্ষে প্রকাশক এম এন এইচ বুলু কর্তৃক ৪০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বুলু ওশেন টাওয়ার, (২১ তলা), বনানী, ঢাকা ১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ফোন:০২৯৮২০০১৯-২০ ফ্যাক্স: ০২-৯৮২০০১৬ ই-মেইল: [email protected]