প্রকাশ: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
(ভিজিট : ৫)
জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে রবিবার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জের কাটিয়াদীতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন শেষে চারিপাড়া সরকারি হ্যাচারী ও একটি বেসরকারি হ্যাচারি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগামন ঘিরে উপজেলা জুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ।
রবিবার কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউট স্কুল মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে তৈরি করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ ও হলরুম। মাঠজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
এছাড়াও চারিপাড়া সরকারি হ্যাচারী ও একটি বেসরকারি হ্যাচারি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্যাস সংযোগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, পৌর নাগরিকসেবা বৃদ্ধি, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, নদ-নদী খনন, কৃষির উন্নয়নে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন এবং কলকারখানা গড়ে তোলার মতো বিভিন্ন দাবি ও প্রত্যাশার কথা বলছেন স্থানীয়রা।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কিশোরগঞ্জের মানুষ প্রস্তুত।
এই সফর কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ার উন্নয়নের ক্ষেত্রে মাইলফলক হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে জনগণের দাবি তুলে ধরব। জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে আসা বর্তমান সরকারের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বাড়বে। বিএনপি সরকার জনগণের সরকার। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন আমাদের এলাকার জন্য সৌভাগ্যের বিষয়।’
কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী শরীফুল আলম বলেন, ‘বর্তমানে সড়কটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক ও ভঙ্গুর। তাই এটিকে চার লেনে উন্নীত করার দাবি আমরা জানিয়েছি এবং বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। সড়কের পাশাপাশি রেল যোগাযোগ নিয়েও দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা রয়েছে। কিশোরগঞ্জ-ভৈরব রেলপথ ডাবল লাইনে উন্নীত করার পাশাপাশি রাজধানীর সঙ্গে আরো দ্রুতগামী ও আধুনিক ট্রেন চালুর দাবি রয়েছে মানুষের।’
মন্ত্রী জানান, রেলপথ ডাবল লাইনে উন্নীত করা এবং নতুন ট্রেন চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরেও জেলার মানুষের প্রত্যাশা বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি করেছেন স্থানীয়রা। শিক্ষা খাতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হলে জেলার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য জেলায় যাওয়ার প্রবণতা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।