প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪০ পিএম
(ভিজিট : ১২)
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক স্মারক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে নিযুক্ত বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি, কূটনীতিক, জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং বলেন, এই গণঅভ্যুত্থান ছিল জনগণের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার এক ঐতিহাসিক প্রকাশ। তিনি উল্লেখ করেন, একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে এ আন্দোলন জাতির ঐক্য ও দৃঢ় প্রত্যয়ের প্রতীক হয়ে থাকবে।
রাষ্ট্রদূত সরকারের ‘থ্রি আর’ (রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন) কৌশলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালার প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি অটুট রয়েছে। পাশাপাশি বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করে বৈশ্বিক শান্তি ও উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট, ঘটনাপ্রবাহ এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।