প্রকাশ: শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:৩৬ পিএম (ভিজিট : ২২)
টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের পাঁচ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বাদ ফজর এ জোড় ইজতেমা শুরু হয়। আগামী ২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরের আগে এই জোড় ইজতেমা শেষ হবে। জোড় ইজতেমার প্রথম দিনে ১৭ দেশের ৪৩৬ বিদেশি মেহমান অংশগ্রহণ করেছেন।
আজ শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে বৃহত্তর জুমার জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জুমার জামাতে ইমামতি করেন ইজতেমার বাংলাদেশের শীর্ষ মুরুব্বি হাফেজ মাওলানা জোবায়ের।
শুরায়ে নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জোড় ইজতেমার প্রথম দিন আজ শুক্রবার বাদ ফজর সম্মিলিত মুসল্লিদের উদ্দেশে আম (সাবির্ক) বয়ান করেন বাংলাদেশের মাওলানা ওমর ফারুক। কারগুজারি করেন দিল্লির মাওলানা আব্দুর রহমান।
বাদ জুমা বয়ান করেন বাংলাদেশের মাওলানা ফারুক, বাদ আছর পাকিস্তানের মাওলানা আহমদ বাটলা, বাদ মাগরিব দিল্লির মাওলানা আব্দুর রহমান বয়ান করবেন।
আয়োজকরা জানান, শুরায়ে নেজামের পাঁচ দিনব্যাপী জোড় ইজতেমায় দেশের চিল্লাধারী মুসল্লি ছাড়াও বিশ্বের প্রায় ১৭টি দেশের ৪৩৬ জন বিদেশি মেহমান ময়দানে এসেছেন। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত পাকিস্তান থেকে ৩০৮ জন, ভারত থেকে ৭০ জন, কিরগিজস্তান থেকে ১০ জন, কানাডা থেকে ৯ জন, মিয়ানমার থেকে ৩ জন, ইয়েমেন থেকে ৪ জন, চীন থেকে ১ জন, সৌদি আরব থেকে ৬ জন, তিউনিসিয়া থেকে ১ জন, যুক্তরাজ্য থেকে ৭ জন, ইটালি থেকে ২ জন, নাইজার থেকে ১ জন, আফগানিস্তান থেকে ৬ জন, আমেরিকা থেকে ১ জন, জার্মানি থেকে ১ জন ও জাপান থেকে একজন মুসল্লি এসে ময়দানে তাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে অবস্থান নিয়েছেন।
বিশ্ব ইজতেমার ৪০ দিন পূর্বে মূলত জোড় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
জোড় ইজতেমায় কেবল তিন চিল্লাধারী বা তদূর্ধ্ব সময় লাগানো দেশ-বিদেশের মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেছেন। এবং কমপক্ষে এক চিল্লা লাগানো হযরত ওলামায়ে কেরাম অংশগ্রহণ করেছেন।