শুক্রবার ২৫ জুন ২০২১ ১০ আষাঢ় ১৪২৮
 
শিরোনাম: তবুও ঢাকামুখী মানুষের ঢল        যেকোনো সময় যেকোনো সিদ্ধান্ত: ফরহাদ হোসেন       চলচ্চিত্রে পরিমণির নিষিদ্ধের গুঞ্জন!        সারাদেশে ১৪ দিনের ‘শাটডাউনের’ সুপারিশ        দেশে আক্রান্ত আরও বাড়ল, মৃত্যু ৮১        চামড়া সিন্ডিকেট রোধে নজরদারি করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী       চারটি আইনে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর      


শেরপুরের বনগাঁও গ্রামের মুক্তার নার্সারি করে এখন স্বাবলম্বি
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১, ৫:১৫ পিএম |

গাছের সাথেই আমার বেড়ে ওঠা, জন্মের পর থেকে দেখে আসছি বাবা গাছের ব্যবসা করেন। গাছের প্রতি ভালোবাসা ছোটবেলা থেকেই। গাছের ব্যবসাটাও পরিবার থেকে পাওয়া। এটা যেমন লাভজনক পেশা তেমনি সেবা মূলক। এই ব্যবসা মনে প্রশান্তির পাশাপাশি আয় রোজগারের পথটাও অতি সহজ করেছে।

 আলাপচারিতায় এমনটিই জানাচ্ছিলেন মুক্তা নার্সারির মালিক মুক্তার হোসেন। শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও খাঁ পাড়ার মেইলগেট এলাকায় ৫ একর জমির জায়গা জুড়ে জেলার সর্ববৃহৎ গাছের নার্সারি মুক্তারের। ৩০ বছর বয়সী মুক্তার হোসেন নিজ প্রচেষ্টায় গড়ে তোলেন এই নার্সারী।

 সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, এ যেন গাছের সমুদ্র, চোখ যেদিকে যায় শুধু নানান প্রজাতির গাছ। মুক্তার হোসেন বলেন, আমার নার্সারিতে এখন এক হাজার প্রজাতির সাত লাখ গাছ রয়েছে। দেশী বিদেশি সকল প্রকার গাছ আমার এখানে পাওয়া যায়, আর  সেজন্য চাহিদাও বেশী। আমার এখানে রয়েছে বনজ, ফলজ, ঔষধি ও ফুলের চারা প্রকৃতিবান্ধব সব রকমের গাছ।

 উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর আর পড়াশোনায় মন বসেনি মুক্তারের, এরপর গাছের ব্যবসায় শুরু করেন বনগাঁও খাঁ পাড়া গ্রামের খারুল ইসলাম খানের ছেলে মুক্তার, বৃক্ষের এই ব্যবসা আজীবন ধরে রাখতে সহযোগিতায় সরকারি পরামর্শও চেয়েছেন তিনি। 

মুক্তার বলেন, বৃক্ষ প্রেমের জায়গা থেকে আমার এই ব্যবসাটা শুরু করা যেহেতু ছোটবেলা থেকে গাছের সাথেই বেড়ে ওঠা সেহেতু অন্য কোনো ব্যবসায় ঝুঁকতে পারিনি। কয়েক বছর আগে কর্মসংস্থানের খুঁজে বিদেশ গিয়ে থাকতে পারিনি,  বিদেশে থেকে চলে এসে আবার এই ব্যবসা শুরু করি। বিদেশ যাওয়ার আগে ব্যবসায় লোকসান গুনতে হলেও নতুন করে শুরু করার পর এ বছর লাভের মুখ দেখতে পেরেছি।

 বছরে আয় হয়েছে প্রায়ই ১২ লক্ষ টাকা। আমার নার্সারীতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন ৫০ জন। এই নার্সারীর ফলে অনেক বেকার ছেলেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে যেটা গ্রামের দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন এই যুব উদ্যোক্তা। মুক্তার হোসেন আরও জানান, রাজশাহী থেকে গাছের বিজ নিয়ে আসি।

 কর্মচারীদের দিয়ে কাজ করাই, গাছগুলো বড় হওয়ার পর রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে যায় আমার নার্সারির গাছ। নার্সারিতে দিনমজুর হিসেবে কাজ করা ছাবের আলী বলেন এখানে কাজ করে পরিবারকে আর্থিকভাবে সচ্ছলতা ফিরে আনতে পেরেছি, বাড়ির পাশে এমন কাজ, পরিশ্রম কমে আয়ও ভালো। গাছ নিতে আসা ক্রেতা মঈন উদ্দিন বলেন, জেলার সবচেয়ে বড় নার্সারি এটাই। আমি বিভিন্ন নার্সারি থেকে গাছ নিয়ে থাকি এই নার্সারির মতো বড় নার্সারি শেরপুর জেলার মধ্যে আর দেখিনি।









প্রকাশক: এম এন এইচ বুলু
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মাহফুজুর রহমান রিমন  
বিএনএস সংবাদ প্রতিদিন লি. এর পক্ষে প্রকাশক এম এন এইচ বুলু কর্তৃক ৪০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বুলু ওশেন টাওয়ার, (১০তলা), বনানী, ঢাকা ১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ফোন:০২৯৮২০০১৯-২০ ফ্যাক্স: ০২-৯৮২০০১৬ ই-মেইল: [email protected]