শনিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২১ ৯ মাঘ ১৪২৭
 
শিরোনাম: বিভক্তি রেখেই ভোটে আ’লীগ!        ফেব্রুয়ারিতে দেশে ফিরছেন ড. বিজন       রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মিয়ানমারের চিঠি       বছরের প্রথম সিরিজ জয় বাংলাদেশের        ঢাকার যেখানে হাত দিই সেখানেই অবৈধ দখল: মেয়র আতিক       ওবায়দুল কাদেরকে ‘রাজাকার পরিবারের সদস্য’ বললেন এমপি একরামুল       বৃদ্ধাকে নির্যাতন: গৃহকর্মী ৮ দিনের রিমান্ডে      


বাংলাদেশে ইমু এত জনপ্রিয় হওয়ার কারণ?
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: বুধবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ৪:২১ পিএম |

যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে চিঠির যুগ পেরিয়েছে বহু বছর আগেই। বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত মেসেজিং অ্যাপ হচ্ছে ইমো। ইমো তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১৯ সালের তুলনায় গত বছর তাদের অ্যাপ ব্যাবহার করে বাংলাদেশিদের পাঠানো মেসেজের সংখ্যা বেড়েছে ৮ শতাংশের বেশি।
বছরজুড়ে বাংলাদেশি ইমো ব্যবহারকারীরা সাড়ে নয় হাজার কোটির বেশি মেসেজ এবং আড়াই হাজার কোটির বেশি অডিও-ভিডিও কল করেছে। এর মধ্যে তিন হাজার কোটির মত রয়েছে আন্তর্জাতিক মেসেজ আর দেড় হাজার কোটির বেশি আন্তর্জাতিক অডিও-ভিডিও কল রয়েছে। মেসেজিং অ্যাপ কোম্পানিটি এক বিবৃতিতে বলছে, বাংলাদেশিদের ইমোর ব্যবহার রেকর্ড ছুঁয়েছে।

কোম্পানিটি জানিয়েছে বিশ্বে বাংলাদেশেই ইমোর সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে তিন কোটি সত্তর লাখ বার এটি ইন্সটল করা হয়েছে। গণমাধ্যমকে পাঠানো বিবৃতিতে ইমোর ভাইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশিদের এই প্রবণতাকে ‘অভূতপূর্ব’ বলে উল্লেখ করেছেন।

কারা এত বার্তা পাঠাচ্ছে? কোথায়ই বা যাচ্ছে তা- 

বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়েছে- ইমো অনেক বেশি জনপ্রিয় বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশের অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে। যে কোন অভিবাসী কর্মী ও তাদের আত্মীয় স্বজনদের সাথে কথা বললেই জানা যাবে তাদের মোবাইল ফোনে ইমো ইন্সটল করা আছে।
গ্রামীণফোনের চিফ ডিজিটাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি অফিসার সোলায়মান আলম মূল দুটি কারণ উল্লেখ করেছেন। তিনি বলছেন, ইমোর ব্যবহারের জনপ্রিয়তার শুরু মধ্যপ্রাচ্যে। এর একটি বড় কারণ হল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বিশ্বের অন্যান্য জনপ্রিয় যেসব মেসেজিং অ্যাপ রয়েছে সেগুলোর ব্যাবহার নিষিদ্ধ। বাংলাদেশের অভিবাসীদের তাই ইমো ব্যবহার করতে হচ্ছে। আর বাংলাদেশেও তাই তাদের আত্মীয়দের ইমো ইন্সটল করতে হচ্ছে।

তার ভাষায় অন্য আর একটি কারণ হল ইমোতে ইন্টারনেট ব্যাবহার সাশ্রয়ী। ইমোতে মেসেজ কমপ্রেসড হয়ে যায়। অর্থাৎ এতে ফাইল সাইজ ছোট হয়ে আসে। অন্য মেসেজিং অ্যাপের তুলনায় ইন্টারনেট ডাটা কম ব্যবহার হয়। তাই মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের যে ভাইয়েরা রয়েছেন তাদের জন্য অন্য অ্যাপ ব্যাবহারের চাইতে ইমোর ব্যবহার সাশ্রয়ী। তবে এর একটি অসুবিধা হল এর ফলে ভিডিও বা অডিওর মান খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু সবারতো প্রফেশনাল কোয়ালিটির অডিও-ভিডিও দরকার নেই।

আর ইমোর বিভিন্ন ভার্শন রয়েছে তাই সেটি প্রায় সব ধরনের হ্যান্ডসেটে ইন্সটল করা যায়। বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৫০টিরও বেশি দেশে ৬২ ভাষায় ২০ কোটিরও বেশি মানুষ ইমো ব্যবহার করলেও এই অ্যাপ নিয়ে অবশ্য অনেকের অভিযোগও রয়েছে। অ্যাপটি ইন্সটল করা মাত্রই একের পর এক বিরতিহীন নোটিফিকেশন আসতে থাকে। অপরিচিত লোকজনের কাছ থেকে মেসেজ আসে, তারা এখন ইমোতে আছেন, কেউ ইমো ব্যাবহার শুরু করেছেন সেসব তথ্য ছবিসহ দেখা যায়।

আপনি চেনেন না, আপনার ফোনে যার নম্বর নেই তাদের কাছ থেকেও মেসেজ আসে। এর অর্থ হল অন্যদের কাছেও আপনার মেসেজ চলে যাচ্ছে সেটি হয়ত আপনি জানেনও না।

ইমোতে আপনার তালিকায় থাকা বন্ধুদের যারা বন্ধু তাদের পোস্টও দেখা যায়। এর কারণ হল আপনার কন্টাক্টে যারা আছেন আর তাদের সঙ্গে যাদের ইমোতে যোগাযোগ, তাদের মধ্যে এক ধরনের যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। এসব কারণে অনেকেই ইমোতে নিরাপদ বোধ করেন না।
এভাবে অনেকেই বিভিন্নভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। সর্বস্ব খুইয়ে সর্বশান্ত হচ্ছেন অনেকে। তবে দেশের তথ্য মতে বাংলাদেশের অধিকাংশ বেকার যুবক তাদের জীবিকার তাগিদে পাড়ি জমাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। সেখানে ইমো যোগাযোগের অন্যতম সস্তা মাধ্যম হওয়ায় এটি ব্যবহার করেন তারা। ইমো ব্যবহারে আর্থিকভাবে খরচ খুবই কম। যেখানে অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাপের খরচ অনেক বেশি। 







 সর্বশেষ সংবাদ

বিভক্তি রেখেই ভোটে আ’লীগ!
নাগরপুরে অবৈধ টোলিতে মাটি তুলতে প্রাণ গেল শ্রমিকের
নীলফামারীর ডিমলায় তটিনী যুব নারী উন্নয়ন সমিতির শীতবস্ত্র বিতরণ
মোটর সাইকেল আরোহীর ছদ্মবেশে গাঁজাসহ আটক ২
চলনবিলে মসূর ডালের বাম্পার ফলন
ফরিদগঞ্জে ঢাকাস্থ চাঁদপুর সমিতির শীতবস্ত্র বিতরণ
ফেব্রুয়ারিতে দেশে ফিরছেন ড. বিজন
আরো খবর ⇒

 সর্বাধিক পঠিত

বাবা বিএনপি, ভগ্নিপতি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি
প্রবাস যাত্রীর শুভ্রস্বপ্ন
ইউরোপের জনপ্রিয় চ্যানেল ইউরো বাংলা টিভি নিয়ে অসাধু ব্যাক্তির চক্রান্ত
নাম সর্বস্ব পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রদান বন্ধ করা হবে: তথ্যমন্ত্রী
আনজাম মাসুদ আ' লীগের উপ-কমিটিতে
এশিয়ার ক্রিয়েটিভ এক্সিউটিভ অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতলেন ফারদিন
সাইমন-মাহি আবারও নতুন তিন ছবির জুটি
প্রকাশক: এম এন এইচ বুলু
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মাহফুজুর রহমান রিমন  
বিএনএস সংবাদ প্রতিদিন লি. এর পক্ষে প্রকাশক এম এন এইচ বুলু কর্তৃক ৪০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বুলু ওশেন টাওয়ার, (১০তলা), বনানী, ঢাকা ১২১৩ থেকে প্রকাশিত ও শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস, ২৩৪ ফকিরাপুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত।
ফোন:০২৯৮২০০১৯-২০ ফ্যাক্স: ০২-৯৮২০০১৬ ই-মেইল: [email protected]